Ad Code

Responsive Advertisement

Ticker

6/recent/ticker-posts-image

পাবলো নেরুদা : বাংলা সাহিত্যে পাবলো নেরুদার অবদান।

 




▶️ ব্যক্তি জীবন :


  • পদবলো নেরুদা ছিলেন একজন চিলিয়ান কবিরাজনীতিবিদ
  • তিনি জন্মগ্রহন করেন ১৯০৪ সালে ১২ জুলাই চিলির পারলে শহরে। 
  • তাঁর প্রকৃত নাম ছিল নেফতালি রিকার্দো রেয়েস বাসোয়ালতো। 
  • তাঁর ছদ্মনাম ছিল পাবলো নেরুদা।
  • পাবলো নেরুদা এই ছদ্মনাম গ্রহন করেছিলেন কেন? কারণ হিসাবে বলা যায় তাঁর বাবা ছিলেন একজন কঠোর মনোভাবাপন্ন ব্যক্তি।তিনি কখনোই চাইতেন না তাঁর ছেলে কবিতা লিখুক। এর জন্যই পদবলো নেরুদা তাঁর বাবার কাছ থেকে তাঁর রচনা গুলি লুকিয়ে রাখার জন্য ছদ্মনাম গ্রহন করেছিলেন।
  • ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে ৬ ডিসেম্বর নেরুদা মারিকা আনতোনিয়েতা হেগনারকে বিবাহ করেছিলেন।


▶️ শিক্ষা ও সাহিত্যকর্ম :


  • ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে পাবলো নেরুদা তেমুকোর স্কুলে ভর্তি হন।
  • তেমুকোর স্কুলে তিনি প্রাচীন সাহিত্য,বিশেষত গ্রিক ও লাতিন নিয়ে পড়াশুনা করেন।
  • পড়াশোনা চলাকালীন তেমুকো শহরেরই খবরের কাগজ ' লা মানিয়ানা' তে ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দের ১৮ জুলাই তিনি প্রথম কবিতা লেখেন।
  • ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে ' বাবায়ো দে বাসতোস ' নামে তিনি একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন।
  • ১৯২৫ খ্রিঃ তাঁর বিখ্যাত কবিতাবলি ' এ বিশ্বের অধিবাসী' এবং ' মানুষের অন্তহীন প্রশ্ন' প্রকাশিত হয়।
  • কলম্বিয়ার ঔপন্যাসিক গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ তাঁকে ' বিংশ শতাব্দীর সকল ভাষার মহান কবি' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।


▶️ সাহিত্য প্রতিভা :


  • তাঁর কামোদ্দীপনামূলক কবিতা সংকলন ' টোয়েন্টি লাভ পোয়েমস অ্যান্ড এ সং অফ ডেসপায়ার ' রচনা করেন।
  • এছাড়াও তাঁর আরো বিখ্যাত গ্রন্থগুলি হল -

  1. The captain's verses.
  2. The separate rose.
  3. The yellow heart.
  4. Stones of the sky.
  5. Winter Garden.
  6. Still another day.
  7. Intimacies.
  8. Poems of love.
  9. World's end.
  10. The hands of the day.


▶️ সম্মান লাভ :


  • ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে পাবলো নেরুদা সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
  • গুয়াতেমালার মিচোয়াকান বিশ্ব বিদ্যালয় তাঁকে ডক্টরেট উপাধি দান করে।
  • ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে চিলির জাতীয় সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। 
  • ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে মেক্সিকো সরকার তাঁকে ' আজটেক ইগল' সম্মান দেয়।


▶️ রাজনৈতিক জীবন :


  • ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি চিলির বাণিজ্যদূত হয়ে রেঙ্গুনে যান।
  • ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলম্বিয়ার বাণিজ্যদূত হিসেবে নিযুক্ত হন। 
  • ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে নেরুদা কলকাতা এসে ভারতের জাতীয় মহাসভায় অংশ নিয়েছিলেন।
  • ১৯৩০ থকে ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি চিলির বাণিজ্যদূতের দায়িত্ব পালন করেন।
  • ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে তিনি দেশের সরকারের সঙ্গে সংঘাত ফলে প্রায় দু-বছর আত্মগোপন করেছিলেন।
  • ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের ২৫ এপ্রিল তিনি প্যারিসে বিশ্বশান্তি মহাসভায় যোগদেন।
  • ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দে চিলির কমিউনিস্ট পার্টি দেশের রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য পাবলো নেরুদাকে মনোনীত করা হয়েছিল।


▶️ প্রয়াণ :


  • তিনি ক্যানসার রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।
  • ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দের ২৩ সেপ্টেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়।


Post a Comment

0 Comments

Ad Code

Responsive Advertisement